শনিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২৬

ব্যক্তিগত স্বার্থে সামাজিক সংগঠক ইমনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ “জনমনে ক্ষোভ”

আপডেট:

ব্যক্তিগত স্বার্থে সামাজিক সংগঠক ইমনকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ: জনমনে ক্ষোভ
​নিজস্ব প্রতিবেদক, ফেনী | ফেনীর ক্রীড়া ও সামাজিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ইমনকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হওয়া ‘ট্রোল’ ও ‘ট্যাগিং’ রাজনীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ সৃষ্টি হয়েছে। মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ‘তাঁত বস্ত্র মেলা’র বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
​প্রতিবাদের জেরে অপপ্রচার সচেতন নাগরিকদের মতে, একজন ব্যবসায়িক নেতা ও সচেতন নাগরিক হিসেবে মেলা বা যেকোনো ব্যবসায়িক ইস্যুতে প্রতিবাদ করার অধিকার ইমনের রয়েছে। তাঁর প্রতিবাদের যৌক্তিকতা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু বিষয়টিকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা রাজনৈতিক ট্যাগিংয়ের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। নব্বইয়ের দশকে ব্রাদার্স ক্লাব ও পূর্ব উকিল পাড়ার ‘নব জাগরণ সংসদ’ থেকে খেলোয়াড় হিসেবে উঠে আসা ইমন দীর্ঘ সময় ধরে ফেনীর ক্রীড়া ও সামাজিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।বঞ্চনার ইতিহাস ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
​অভিযোগ রয়েছে যে, ‘বিএনপিপন্থী’ তকমা দিয়ে বিগত ১৭ বছর তাঁকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যপদ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এমনকি তৎকালীন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারির রোষানলে পড়ে তাঁর কারাতে টিমকে তিন বছর জিমনেসিয়ামে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তখন অদম্য এই সংগঠক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে তাঁর টিমকে প্র্যাকটিস করিয়েছেন।নিরাপদ সড়ক আন্দোলন থেকে শুরু করে তনু হত্যা ইস্যু—ফেনীর সাধারণ মানুষের যেকোনো সংকটে ইমনকে সবসময় রাজপথে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার থাকতে দেখা গেছে। কোনো সামাজিক বা ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক (ডিসি), মেয়র বা এমপির সাথে তাঁর উপস্থিতি থাকাটা স্বাভাবিক সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, যা কোনো রাজনৈতিক আনুগত্য প্রমাণ করে না।এক নজরে ইমনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা:ইমন ফেনীর অসংখ্য শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক সংগঠনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাঁর উল্লেখযোগ্যসেক্রেটারি: ফেনী ড্রাগন কারাতে একাডেমি,সাবেক সভাপতি: ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব ফেনী সেক্রেটারি: সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), ফেনী পৌর কমিটি।সমন্বয়ক: মাহবুব উল হক পেয়ারা ফাউন্ডেশন।সভাপতি: কচি কণ্ঠের আসর, ফেনী শাখা।সেক্রেটারি ও কাউন্সিলর: ইয়ং ব্রাদার্স ক্লাব।উপদেষ্টা: ন্যাশনাল চিল্ড্রেন টাস্কফোর্স, ফেনী সাইক্লিস্ট এবং ইকো রেভোলুশন।সক্রিয় সদস্য: বিডি ক্লিন ও নরনীয়া সামাজিক সংগঠন।ফেনীর সাধারণ মানুষ ও তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের মতে, ট্যাগিং বা অপপ্রচার চালিয়ে ইমনের মতো একজন মাঠপর্যায়ের সংগঠককে বিতর্কিত করা সহজ হবে না। যারা বর্তমানে তাঁকে নিয়ে ট্রল করছেন, তারা মূলত ফেনীর সামাজিক ও ক্রীড়া ইতিহাসে তাঁর অবদানকে অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন। সচেতন মহল মনে করে, মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির এই সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত