মঙ্গলবার, মে ১৯, ২০২৬

বলপূর্বক গুম রোধে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য: ইইউ প্রতিনিধিদল

আপডেট:

ঢাকা, ১৮ মে ২০২৬: বাংলাদেশে বলপূর্বক অন্তর্ধান সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনি কাঠামো এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়ে আয়োজিত এক অংশীজন পরামর্শ সভায় গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদল।উক্ত পরামর্শ সভায় মানবাধিকার সুরক্ষা এবং অতীতের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং বলপূর্বক অন্তর্ধান সংক্রান্ত আইনি কাঠামোর ওপর আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপে অংশ নিতে পেরে ইইউ প্রতিনিধিদল সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানায়।স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, মানবাধিকার রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের ঘটনা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। অতীতে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার পাশাপাশি ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবার যাতে যথাযথ প্রতিকার ও ন্যায়বিচার পান, তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয় এই সভায়।​ইইউ প্রতিনিধিদলের বলেন “মানবাধিকার রক্ষা, অতীতের লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার ও প্রতিকারের সুযোগ নিশ্চিত করতে শক্তিশালী, স্বাধীন ও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য।”বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্তাবিত এই আইনি কাঠামোটি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ও আইনের শাসন আরও জোরদার হবে এবং আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত