বাংলাদেশে সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর তৈরি করা হুমকি অত্যন্ত গম্ভীর এবং একে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামিলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর আঞ্চলিক নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হচ্ছে কি না—উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা জানান, নিজের শাসনকালে তিনি বাংলাদেশকে চরমপন্থীদের নিরাপদ ঘাঁটি হওয়া থেকে রক্ষা করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।তিনি বলেন, নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, শক্তিশালী গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার মাধ্যমে দেশে শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখা তার অগ্রাধিকার ছিল।উগ্রবাদী মতাদর্শ কোনো নির্দিষ্ট সীমান্ত মেনে চলে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশীদের থেকে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন রাখা কোনো সমাধান নয়। বরং পুরো বিষয়টিকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট থেকে বিবেচনা করে সব দেশের সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে অনুপস্থিতিতে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সূত্র: এনডিটিভি

