বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

ভাষা শিক্ষা নীতি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ইইউর সতর্কতা ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ

আপডেট:

​ইতালির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিবাসী ও ভাষা না জানা শিক্ষার্থীদের নিয়ে নেওয়া একটি নতুন সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এই বিষয়ে সতর্কবার্তা দিলেও, দেশটির সরকার তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।​ইউরোপীয় ইউনিয়ন কঠোর ভাষায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, যেকোনো ধরনের সরাসরি বা পরোক্ষ জাতীয়তাবাদী বৈষম্য ইউরোপীয় চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। ইইউর আইন অনুযায়ী, কেবল জনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা কিংবা জনস্বাস্থ্যের মতো বিশেষ ও কঠোর কারণ ছাড়া জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো ছাড় বা বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণের সুযোগ নেই।​সরকারের সাফাই ইতালির শিক্ষামন্ত্রী জুসেপ্পে ভালদিতারা এই নীতিকে বৈষম্যমূলক বলতে নারাজ। তার মতে, এটি কোনো বৈষম্য নয়; বরং যে শিক্ষার্থীরা ইতালীয় ভাষা জানে না, তাদের মূল ধারার শিক্ষাব্যবস্থায় সহজে যুক্ত বা সমন্বিত করার একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।​সরকারের এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধান বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডি) ইউরোপীয় বাধ্যবাধকতা আসার আগেই অবিলম্বে এই অধ্যাদেশটি প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়েছে।অন্যদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পেশাগত স্বায়ত্তশাসন ও আস্থার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে স্কুল অধ্যক্ষদের সংগঠন ‘দিরিজেন্তিস্কুওলা’। সংগঠনটির মতে, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যপরিচালনা ও স্বায়ত্তশাসনকে সরাসরি ক্ষুণ্ন করবে।এছাড়া শিক্ষক ইউনিয়ন CGIL ও ANIEF শিক্ষার্থী সংখ্যা সীমিত করার মতো restrictive পদক্ষেপ নেওয়ার পরিবর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত ইতালীয় ভাষা শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত