শীতে শুষ্ক মৌসুমে মাটি কাটার শুরু হয়।প্রতিকারে ভুমিকমিশন অভিযান পরিচালনা করে। গত ৩ বছরের হিসাব বলছে মাটি কাটা রোধ করা সম্ভব হয়নি। গত ১৬ বছর থেকে রাজনৈতিক চাপ অনৈতিক লেনদেন শাসক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় কৃষি জমির উর্বরতা হারিয়েছে বহু গুনে। এর সাথে জড়িত হয় প্রশাসনের অনেকেই ঘুষ বাণিজ্য অবৈধ লেনদেন লোক দেখানো কিছু অভিযান জোরদার করা হয়। এই মাটি কাটা নিযুক্ত মাফিয়াদের খুটির জোর অনেক বেশী। এস্কভেটর অকেজো করে কোন লাভ হয়েছে কি? অপরাধীরা পালিয়ে যায় বলে তারা ধরাছোঁয়ার বাহিরে থাকে। যে এস্কভেটর দিয়ে মাটি কাটা হয় তা কার বের করা খুব কঠিন কি? সরকারের কোন তদারকি বা গোয়েন্দাদের নজর এড়িয়ে এই মাটিকাটা কি সম্ভব? দু:খের বিষয় বল্লামুখ বাঁধের বালি ও মাটি নিয়ে যায় কোন প্রতিকার ছাড়া। আইনের ফাঁকে তারা বেরিয়ে এসে আবার নতুন কৌশলে মাটি কাটা শুরু করে। তাহলে প্রতিকারের উপায় কি জেলা প্রশাসক মহোদয় বলনেন কি,? জনগণের সেবক হিসাবে আপনার দায়িত্ব পালন করবেন কি? ফেনী গন মানুষ ও কৃষক আশা করে, মাটি কাটায় নিয়োজিত সকল এস্কভেটর জব্দ করে বিক্রি করে দিলে অনেক আংশে মাটি কাটা রোধে করা সম্ভব হবে বলে ভুক্তভোগীরা মনে করে।

