লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
তাং ঃ ১৭.১১.২০২৩
পঞ্চাশ বছর ধরে বাংলাদেশে তবলিগ জামাতের সন্মেলন হয়। দেশবিদেশের মুসল্লী আসেন। বাংলাদেশে
আগে কাকরাইল মসজিদ, সিদেশ্বরী চিটাগং রমনা এবং টঙ্গী মুনসুর জুটমিলের সামনে অল্প জায়গায়, তারপর বাংলাদেশের জাতির পিতা ১৬০ একর জমি তুরাগ তীরে বন্দোবস্ত করে দেন ১৯৭২ শেষে। শুরু হয় হজ্জের পরের দ্বিতীয় বড় ইসলামের সমাগম তুরাগ তীরে।
তাবলীগের জন্ম সেই ভারতের হরিয়ানায় যে ভারতে
দেওবন্দ মাদ্রাসা বৃটিশ আমলে ৩৬ কোটি টাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো কওমি প্রথম মাদ্রাসা যা শিখে শায়েখ মুফতি মাওলানা হয়ে ডাল ভাত খান, আবার হেপলিক্টারে বৌ ভাত করেন, ঢাকায় পাচ টা বাড়ী করেন, মুসলিম দেশ থেকে গরীব ছাত্রদের নামে কোটি কোটি টাকা এনে নিজ পকেটে রাখেন, রজনীতি করেন, সেই শেখের মেয়েকে মারতে কোটালিপাড়া বোমা পোতেন, শাপলা চত্বর ঘেরাও করেন, বায়তুল মুকারম মসজিদে কুরআন দোকানে আগুনে কুরআন পোড়ান, পুলিশের গুলিতে ১২ জন মরার পর লাশ দাফনের পরের দিন পরের বৌ নিয়ে নারায়নগঞ্জে মদের রিসোর্টে
যান আবার ভারতকে কাফের রাস্ট্র কন!
সে যাক, তবলীগ জামায়াত কেন দুই ভাগ হলো।
১৯১০ সালে ইলিয়াস সাহেব তবলীগ শুরু করেছিলেন, তার প্রপৌত্র “মাঃ সাদ” এ প্রজন্মের তাবলীগ “বিশ্ব আমীর ” হন ২০১৫ সালে! তিনি ফতোয়া দেন ২০১৮ সালে “ইসলাম শিক্ষা দিয়ে পয়সা নেয়া বেশ্যার আয়ের সমান (কুরআন শিক্ষা দিয়ে, নামাজ পড়ায়ে, মিলাদ দিয়ে, গরু কুরবানির জবেহ করে, ইত্যাদি) !” আতে ঘা লাগে কওমি মাদ্রাসা পন্হীদের, তারা মহিলা মাদ্রাসা, আরবী কিন্ডারগার্টেন, আরবী মক্তব, মসজিদে কুরআন শিখায়ে বা নামাজ পড়ায় বেশ কামাচ্ছেন যার ফর্দ উপরে উল্লেখ করেছি!
লেগে যান “মাওলানা সাদের পিছে, আমরা যেমন অজু ছাড়া নানাজ পড়া কিছু ভন্ড ধার্মিকের নাস্তিক টাইটেল পাই তাকে ও নাস্তিক কাফের বলা শুরু হয় টঙ্গী তুরাগ পাড়েই দু’গ্রুপের মারামারি তে জন পাচ হত্যা হন!
প্রিয় পাঠক, ঘটনা টা ২০১৮ সালে সম্ভবত। তারপর থেকেই আলাদা দুই গ্রুপ দুই সময় জমায়েত হয়। এবারে মাঃ সাদ ও মাঃ জুবায়েদ গ্রুপের তবলীগ জামায়াত অনুষঠিত হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি ও
৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, যথাক্রমে!
প্রিয় পাঠক, আমি ব্যক্তিগত ভাবে কুরআন তর্জমা আলোকে যা দেখেছি এবং অনেকের “সাদ সাহেবের ফতোয়া পক্ষে বিপক্ষে যা বলেছেন বিদেশি আলিমগন, তাতে সাদ সাহেব ফতোয়া ঠিক আছে কারন, ” পয়সা নেয়া যাবে যে নবীর একটা” হা” হাজির করেছেন আমাদের কওমি হুজুর রা তা দুর্বল এবং নবীকে মিস গাইড করা।
কিছু “সাহাবী” অনেক দূরে এক বাড়ীতে খাবার চেয়ে পান নাই, তারা চলে আসলে সে বাড়ী ছেলেকে সাপে কাটে এবং এই সাহাবীরা ঝাড়ফুক করলে বেঁচে ওঠে।
ছেলের বাবা একপাল ছাগল উপহার দেন ডাক্তারী ফি ধরুন। তারা আপাতত গ্রহন না করে নবীর কাছে আসেন এবং সব ঘটনা বলেন, নবী বলেন, নেয়া যাবে, আমার ভাগের টা রেখো।
সূক্ষ্ম বিষয় হলো নবী সঃ ইসলাম শিক্ষা দিয়ে পয়সা নিতে বলেছেন এমন নয় বরং ডাক্তারের ভিজিট নেয়া যাবে তাই “হা” বলেছেন, “জোবায়েদ” অনুসারী রা এই “হ্যা” কে একমাত্র অস্ত্র ব্যবহার করে চলেছেন!
প্রিয় পাঠক, আপনারা বিচার করবেন কে আসল আর কে নকল?



