শনিবার, মে ২, ২০২৬

ভারত কি জাতিসংঘের স্হায়ী সদস্য হওয়ার যোগ্য

আপডেট:

 

লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

তাং ঃ ০৩.০৪.২০২৪

 

বিজ্ঞাপন

প্রশ্নের উত্তর টা মোটেই কঠিন না! মোদি সরকারের ভারত অনেক খানিক বিশ্ব প্রতিযোগিতায় এগিয়েছে যা কংগ্রেস সরকার পারেন নাই! ভারতের অগ্রগতি একনজরে এমন ঃ

১. বিশ্ব অর্থনীতিতে ৫ ম।

২.সমরাস্ত্রে ভারত ৪ র্থ।

৩. জনসংখ্যার দিক থেকে ২য়।

৪. বৈদিক রিজার্ভ ৬২৫ বিলিয়ন ডলার যা রাশা থেকে বেশি! উল্লেখ্য রাশিয়ার পশ্চিমা প্রেসার আর ভারতের প্রতি পশ্চিমা দৃষ্টি ভঙ্গি এক না!

বৈদেশিক রিজার্ভ সর্বোচ্চ চীন জাপান সুইজারল্যান্ড যথাক্রমে —-

 

৮০ বছর আগে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সংগঠন করা হয় তখন ও ভারত বৃটিশ নাগপাশ ছিন্ন করতে পারে নাই। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ। মিত্র শক্তি জিতে গেলো জাপানে ২ কোটি ১৪ লাখ লোক পরমাণু বোমায়

মিনিটে হত্যা করলো বিশ্ব দরদী মানবতা গনতন্ত্র প্রবক্তা মার্কিন যার বিষক্রিয়ায় অনেক মা এখন ও পঙ্গু শিশু হিরোশিমা নাগাসাকি তে জন্ম দেয়।

 

অক্ষ শক্তির (জার্মান ইতালি জাপান বুলগেরিয়া –) শোচনীয় পরাজয় হয় এবং মোড়ল দেশ আমেরিকা পরাজিত দের কঠিন জরিমানা করে যা জার্মান সম্ভবত ২০১০ সালে শেষ কিস্তি পরিশোধ করে মুক্তি পেলো।

তখন যে ৫ দেশ নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া চীন ফ্রান্স, তারাই স্হায়ী সদস্য এবং তাদের ই ভেটো পাওয়ার আছে। এখন ১৯৩ টা দেশ জাতিসংঘের আওতাভুক্ত, গত ৮০ বছরে আর কাউকে স্হায়ী সদস্য নেয়া হয় নাই। যদিও সোভিয়েত রাশা ভাঙ্গা অপদার্থ ব্যক্তি গর্বাচভ একটা ভাল প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি ভারত তুরস্ক জার্মান জাপান ইতালি ব্রাজিল কে স্হায়ী সদস্য করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু যে লোক নিজ দেশ ভেঙে ১৪ টা দেশ বের করে সোভিয়েত কে দুর্বল করে মার্কিন আকাঙ্খা পূরন করেছিলেন তার কথা কে শোনে?

 

প্রিয় পাঠক, স্হায়ী সদস্য বাড়ানো উচিত এবং ভারত সবার থেকে অগ্রগামী তাকে প্রথমে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

ভারতের দালাল বলে গালি দেয়ার আগে আমার বাকী কথা কয়টা শুনুন —

বিশ্বে ভারতের কিছু বদনাম আছে সে বদনাম ভারতের কলঙ্ক এবং তা মুছে ফেলা উচিত।

১. প্রতিবেশী দেশের সাথে অসদাচরণ। ধরুন বাংলাদেশের ফারাক্কা বাধ ও তিস্তার গজলডোবা বাধে

বাংলাদেশের ২০০ নদীকে মরুভূমি করা হয়েছে, কোন কোন নদীর চিহ্ন মুছে গেছে এটা যৌথ নদী প্রবাহ আইন কানুন নীতি নিয়মের বরখেলাপ।

গজল ডোবা বাঁধ জল শিলিগুড়ি হয়ে দিল্লি পর্যন্ত নিয়ে ফেলা হচ্ছে (স্যাটালাইট ম্যাপ) কিন্তু বাংলাদেশ কে দিবো না। অবশ্য কেন্দ্র থেকে রাজ্য সরকারের প্রতিহিংসা এখানে নেশী!

২. বর্তমান সরকারের ঘাড়ে একটা মৌলবাদী তকমা লাগানো আছে বিশ্ব বাজারে। তার C A A ও N C R

আসামে বাঙালি তাড়ানো ও মুসলিম নির্যাতনের হাতিয়ার বিশ্ব মনে করে। চীনের মত ভারতে ও সংখ্যা লঘূ নির্যাতন হয় বলে বিশ্বে কথাটা চাউর আছে!

 

ভালো থাকেন সুস্থ থাকেন। মানবতা মনুষ্যত্ব সম্পন্ন মানুষ হন। বিজ্ঞান শিখুন, নারী শিক্ষা আরও অগ্রগতি বাড়ান। সৃষ্টি কর্তা কে ভয় করুন, লোকদেখানো ধর্ম আপনার নরকের পথ পরিস্কার করে।

 

শুকনা মৌসুমে বন্ধ করে মরুভূমি করা

বর্ষা মৌসুমে সব গেট খুলে প্লাবন করা!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত