শনিবার, জুন ২০, ২০২৬

চিরচেনা আক্রমণাত্মক ফুটবলে ফেরার ইঙ্গিত ব্রাজিলের ৩ – ০ হাইতিকে হারিয়ে জয়ের ফিরলো

আপডেট:

আজ শনিবার ফিলাডেলফিয়ায় বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হয় ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সাথে জয় না পাওয়ায় এই ম্যাচটা ছিলো সেলেসাওদের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্রিসংখ্যান কিংবা শক্তিমত্তায় যে আফ্রিকান দেশটা থেকে ব্রাজিল বহু এগিয়ে তাই যেন দেখা গেল মাঠে। ৫৬ শতাংশের বেশি সময় বল নিজেদের পায়ে রাখে দলটা, টার্গেটে রাখে ৫টি শট।১২ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ব্রাজিল। হাইতির জালে বলও জড়ান রাফিনহা। উল্লাসে মেতে উঠে গ্যালারি। তবে এরপর রেফারি অফসাইড দেখিয়ে গোল বাতিল করে দেন।এরপর আবারো রাফিনহা সুযোগ পান ২২ মিনিটে। ডান দিক থেকে থ্রু পাস পেয়ে হাইতি গোলকিপারকে একা পেয়েও অবিশ্বাস্যভাবে গোল মিস করেন বার্সেলোনা স্টার।তবে মিনিট না ঘুরতেই উদযাপনের উপলক্ষ পেয়ে যায় ব্রাজিল। ২৩ মিনিটে গোল এনে দেন ম্যাথিউস কুনহা। যদিও সুযোগটি তৈরি করেন ভিনিসিউস জুনিয়র। বল নিয়ে হাইতির বক্সে ঢুকে শট নেন তিনি।তবে হাইতি গোলকিপার জনি প্লাসিড শটটি ঠেকিয়ে দেন। তবে তিনি বল নিয়ন্ত্রণে নেয়ার আগেই ফিরতি বলে কুনহার শট আশ্রয় নেয় জালে। এগিয়ে যায় ব্রাজিল।৩৬ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। এবারও গোলদাতা কুনহা। এই গোলেও জড়িয়ে আছে ভিনিসিউস জুনিয়রের নাম। তার ডিফেন্সচেরা থ্রু পাসে বল জালে জড়ান কুনহা।আর বিরতির ঠিক আগে যোগ করা সময়ে গোল করেন ভিনিসিউস। গোলকিপার জনি প্লাসিডকে একা পেয়ে তার দুই পায়ের ভেতর দিয়ে বল জালে জড়ান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। স্কোর হয় ৩-০।
এর মাঝেই অবশ্য রাফিনহাকে হারাতে হয়েছে ব্রাজিলকে। চোটের কারণে ৪০ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। তার বদলে মাঠে আসেন ১৯ বছর ৩২০ দিন বয়সী রায়ান।
বিরতির পর ৬৪ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। উঠে যান জোড়া গোল করা কুনহা ও লুকাস পাকেতাকে। মাঠে আসেন এনদ্রিক ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি।মাঠে এসে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে বল জালে জড়িয়েছিলেন এনদ্রিক। কিন্তু সেই গোল বাতিল হলো অফসাইডের কারণে। ব্রাজিল অবশ্য আরো কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে, যদিও গোল আসেনি।হাইতি সেরা সুযোগটি পেয়েছিল ৬৪তম মিনিটে। কর্নার থেকে অনেকটা লাফিয়ে হেড করেন রিকার্ডো আদে। দারুণ রিফ্লেক্সে তা ফিরিয়ে দেন বেকার। তবে দলকে পুরো বিপদমুক্ত করতে পারেননি।ব্রাজিলের গোলকিপারের হাত ছুয়ে বল ভেসে ওঠে ওপরে। ছুটে এসে ওভারহেড কিকে দলকে রক্ষা করেন দানিলো। ম্যাচে আর তেমন সুযোগ পায়নি হাইতি।এই জয়ের মাধ্যমে প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোর হতাশা কাটিয়ে উঠেছে ব্রাজিল। একই সঙ্গে নিজেদের চিরচেনা আক্রমণাত্মক ফুটবলে ফেরার ইঙ্গিতও দিয়েছে দলটি। নকআউট পর্বের লড়াইয়ের আগে এই জয় সেলেসাওদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত