ব্রাসেলসে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ)-এর প্রাথমিক স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে।বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (পিসিএ)-এর প্রাথমিক স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) ইইউর সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পক্ষে সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মু. নজরুল ইসলাম এবং ইইউ’র পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক) পাওলা পাম্পালনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের হাই রিপ্রেজেনটেটিভ কাজা কাল্লাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশ-ইইউর মধ্যে নতুন অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর ব্রাসেলসে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন।পিসিএ নিয়ে প্রথম দফা আলোচনা ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় ইইউ আলোচনা স্থগিত করে। পরে অন্তর্বর্তীকালীন আগের সরকারের সঙ্গে পিসিএ স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত নেয় ইইউ, যার পরিপ্রেক্ষিতে নভেম্বরে ঢাকায় অনানুষ্ঠানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।পিসিএ নিয়ে বাংলাদেশ ও ইইউর প্রথম আনুষ্ঠানিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাসেলসে। পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা ও সিলেটে আরেক দফা আলোচনা হয়, যেখানে উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করে।পিসিএ একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক চুক্তি, যা ইইউ এবং অংশীদার দেশের মধ্যে সহযোগিতার কাঠামো নির্ধারণ করে। এই চুক্তির মাধ্যমে রাজনৈতিক সংলাপ, শান্তি ও নিরাপত্তা, সুশাসন ও মানবাধিকার, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদার দেশের সঙ্গে কাজ করে ইইউ।
শান্তি ও নিরাপত্তা, সুশাসন ও মানবাধিকার, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং আর্থিক সহযোগিতা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
আপডেট:

