মৃতপ্রায় মোংলা বন্দরকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সচল করেছেন। মোংলা বন্দরটি বিগত বিএনপি সরকারের আমলে মৃতপ্রায় বন্দরে পরিণত হয়। প্রধানমন্ত্রী মৃতপ্রায় মোংলা বন্দরকে জীবিত করেছেন। মোংলা বন্দর বাঁচলে আমরা বাঁচবো।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকালে বৈদ্যমারী বাজার চত্বরে চিলা ইউনিয়ন আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, নৌ চ্যানেল ড্রেজিং করে গভীরতার জাহাজ এ বন্দরে প্রবেশ করাতে তিনিই উদ্যেগ নিয়েছেন। যার ফলে আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ তৈরির পথযাত্রা শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে আলোকিত করে তুলছেন। বঙ্গবন্ধু দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশকে আলোকিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বে বাংলাদেশকে আলোকিত করে তুলছেন। প্রধানমন্ত্রী সাহসী নেতৃত্ব দিয়ে পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে করছেন। মর্যাদার জায়গায় নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করেছে, যা অহংকার ও গর্বের। মোংলা বন্দরের সাথে রেল লাইন যুক্ত হচ্ছে, বন্দর চ্যানেলে নাব্য ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। সবকিছু মিলে এখানে বিশাল এক কর্মযজ্ঞ চলছে। এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও মজবুত হবে।
ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মিহির ভান্ডারি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হাওলাদার’র সঞ্চালনায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হাওলাদার,
সাবেক পৌর মেয়র শেখ আঃ সালাম, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তারিকুল ইসলাম, চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মিসেস কামরুনাহার হাই, মিঠাখালী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: জাহাঙ্গীর হাওলাদার, সুন্দরবন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি খান আহাদুজ্জামান সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেল থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে নেতা কর্মীরা কর্মীসভায় আসতে থাকেন। এসময় নেতাকর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে কর্মী সমাবেশ বিশাল জনসভায় পরিণত হয়।

