রিফাত মজুমদার (নোমান)
বিএনপি সহ বর্তমান সকল রাজনৈতিক দল গুলোর উদ্দেশে বলছি, বিগত বৎসর গুলোতে আমরা দেখেছি আপনাদের সরকারবিরোধী আন্দোলন ছিল শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় অফিসের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে (সরকারের ভয়ে) কাগজে লিখিত বিটিভির সংবাদ পাঠের মাধ্যমে কাপুরুষোচিত বীরত্ব প্রদর্শন করতে. গত 16 বৎসরে আপনাদের আন্দোলনের উল্লেখ করার মতো সাহসিক কোনো মহাকাব্যিক/ কাব্যিক পুঁথি সমৃদ্ধ সাহিত্য ছিল না. সত্যি আপনাদের এমন পুষ্টিহীন মেরুদন্ড দেখে আমরা লজ্জিত, কেনো জানেন? 16 বৎসর আগে যে রাজনৈতিক দল ( আওয়ামীলীগ) গণতন্ত্রের লোভ দেখিয়ে ক্ষমতায় বসলো কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর সে সরকার যখন গণত্রন্ত বিসর্জন দিয়ে স্বৈরাচারী পথে যাত্রা শুরু করলো, তখন “আপনাদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বীরোচিত সাহসিকতার অভাবে” জনগণের কাছে সেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ গণতান্ত্রিক দলটি সৌরাচারের গঠনত্রন্ত্র রপ্ত করে জনগণ এবং বিরোধীদলের উপরে বর্বরতা প্রয়োগ শুরু করলো. আমি মনে করি ডিক্টেটরের বিচার করার আগে সর্বপ্রথম তৎকালীন সকল বিরোধীদল গুলোর বিচার করা উচিৎ. কেননা, আপনারা আন্দোলন, প্রতিবাদে ব্যার্থ ছিলেন. বিরোধীদল হিসাবে জনগণের প্রতি আপনাদের যে দায়িত্ব ছিল তা পালনে আপনারা শতভাগ নিষ্পেষিত ছিলেন, কারণ আপনারা বিরোধীদল হিসাবে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার ব্যাপারে যথেষ্ট উদাসীন ছিলেন. যার ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষ ব্যাক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়ভাবে ব্যাপকভাবে অতর্কিত হামলা,নির্যাতনের শিকারে পরিণত হয়েছিল. আমি মনে করি কণ্ঠরোধ থেকে শুরু করে সকল নির্যাতনের অভিযোগে তৎকালীন সরকার ডিরেক্ট যে ভূমিকা পালন করেছে পক্ষান্তরে, সমস্ত বিরোধীদল indirectly একই ভূমিকায় অভিযুক্ত ছিল শুধুমাত্র আপনাদের সম্মিলিত রাজপথে দুর্বল আন্দোলনের কারণে. আশা করি তৎকালীন বিরোধীদল গুলো সাধারণ জনগণের প্রশ্ন, রাগ, ক্ষোভের উৎপত্তি জন্মের বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করে জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিজেদেরকে পরিশুদ্ধ করে আগামীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতনতা অবলম্বন করবেন, একই সাথে দূর্শাসন এবং এর পরিণামের উপসংহার রপ্ত করে জনকল্যাণ মূলক ও জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালনে আগ্রাসী থাকবেন, এই আশায় নতুন। ভোরের অপেক্ষায় থাকলাম…. ধন্যবাদ।।।।।

