রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২৬

নিজের দেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরী

আপডেট:

দেশে জাতীয় সংসদ নাই, মানে জনগনের প্রতিনিধিত্ব নাই। সরকার বলে যা আছে সেটার আইনী ভিত্তি অস্পষ্ট। এর মধ্যে আজ তারা স্পষ্ট করেছে- পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে বাংলাদেশ জড়িয়েছে, যে যুদ্ধে বিশ্বের সুপার পাওয়াররা সংশ্লিষ্ট। কার ম্যান্ডেট নিয়ে আরেক রাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধে বাংলাদেশকে জড়ানো হয়েছে, সেই প্রশ্নও কেউ তুলছে না। বাংলাদেশের বহু মানুষ আর সকল মিডিয়া ব্যস্ত আছে সিন্ধু নদীর এপার ওপারে ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধ সম্ভাবনা নিয়ে। বাংলাদেশ থেকে সিন্ধু অববাহিকার ন্যুনতম দূরত্ব ১৬০০ কিমি। ঐ নদীপ্রবাহ ঘিরে ৫ হাজার বছর আগে যে সিন্ধুসভ্যতা গড়ে উঠেছিলো সেখানেও বাঙালীর দূরবর্তী কোন সংযোগ ছিল না। এরপরে আর্যদের যে বৈদিক সভ্যতা সেখানেও বাঙালী ব্রাত্য। ঐসব সভ্যতা তারা তারাই, এখন যারা পাকিস্তানী আর উত্তর পশ্চিম ভারতীয়। তারাই ব্রাম্মন, তারাই আশরাফ মুসলমান। বাঙালী সেই হাইল্ল্যা জাইল্ল্যা শুদ্র অথবা কনভার্টেড মুসলমান৷ এখানকার সেরা ব্রাম্মনকেও উত্তরভারতের কেউ পুঁছেনা, এখানকার সৈয়দরেও পাঞ্জাবের কেউ সহি মুসলমান ভাবেনা। কপালগুনে শেখ মুজিবের মতো নেতা এই ভূখন্ডে জন্ম নেয়ায় আর জীবন তুচ্ছ করার মতো ক্ষ্যাপাটে একটা প্রজন্ম থাকায় নিজেদের একটা স্বাধীন রাষ্ট্র পাওয়া গিয়েছিলো। এই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে পড়বেনা ১৬০০ কিমি দূর ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে। ঝুঁকিতে পড়েছে নিজের সীমান্তের মিয়ানমারের যুদ্ধে একটি পক্ষ নেয়ায়। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত এই বিষয়ে সতর্ক হওয়া। ভারত, পাকিস্তান চিন্তা বাদ দিয়ে নিজেদের কথা ভাবা। কার অনুমতিতে রাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়ানো হচ্ছে সেই প্রশ্ন তীব্রতর করা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত