বৃষ্টি হওয়ার আগ থেকেই ফেনীর দুটি নদীর অববাহিকায় বসবাসরত মানুষের জীবনও জীবিকা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় ছিল ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, ফেনী ও মুহুরী নদীর তীরে বসবাসরত মানুষের। বিষয়টি অনুধাবন করে বন্যা পরবর্তী দৈনিক সকালের কন্ঠ অনলাইন বাধের বেহাল দশা নিয়ে, একটি লাইভ করে জেলা প্রশাসক, পাউব, পানি সম্পদ উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে কিন্তু অবহেলিত এই জনপদের মানুষের কথা জেলা প্রশাসক , পাউব, সহ সংশ্লিষ্ট কেউ তড়িৎ প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলশ্রুতিতে তিন দিনের বৃষ্টিতে ফুলগাজী, পরশুরাম, জগতপুর, পাঠান নগর, হাসানপুর, বাঁধের ত্রুটির কারণে প্লাবিত হয়ে জনগণের ব্যাপক ক্ষতি হয়। বন্যা হওয়ার পরে জেলা প্রশাসক,পাউব, কর্মকর্তারা সেই জনপদ পরিদর্শন করে গতানুগতিক ধারার বলেন বাধ নির্মাণের যতযত পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। ক্ষতি হওয়ার পর এই ধরনের কথা না বলে যদি ব্যবস্থা নেওয়া যেতো, তাহলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। জনগণের মাঝে ত্রান বিতরণ করে কি লাভ বলবেন কি জেলা প্রশাসক, পাউবোর নির্বাহী কর্মকর্তা। পানি সম্পদ উপদেষ্টা কি পরিবর্তন করবেন, ফেনী জেলা বন্যায় ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পর কেন পদক্ষেপ নেওয়া হলো না ? এখন জনগণ নানা কথা বলেছে, পরশুরামের শালধর গ্রামের আবদুল মোমিন বলেন, কত সরকার আইলো-গেলো, আমাদের ভাগ্য বদলাইলো না। প্রতিবছরই এভাবে ভাঙছে মুহুরী নদীর বাঁধ। জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা ও হাসিনা সবার ক্ষমতা দেখলাম, কিন্তু কেউ বন্যা থেকে বাঁচাতে পারেননি।ফুলগাজীর দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা আবদুল কাদের, ফুলগাজীর নুরুল আমীন জানান ও ফুলগাজী উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমও তাদের দুরবস্থার জন্য বিভিন্ন অভিযোগ এবং অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের দায়ী করেন। বড় ধরনের দূর্নীতি হয়েছে বলে জনগন মনে করে। ফেনীর দুদক কি কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে। দুদকের কাজ কি তাহলে তারা কি এই সব অনিয়ম দেখে না। এখন জিও ব্যাগ, তৎপরতা দেখিয়ে কোন লাভ হবে কি, সেই দুর্নীতিবাজেরা শেষে লাভবান হচ্ছে।

