আনোয়ার মোরশেদ মজুমদার (বুলেট)
ফেনী পৌরসভার যে কয়টি ওয়ার্ড রয়েছে স্কুল ছুটির সময় হলেই অন্য জেলা খুলনা, বরিশাল, ও স্থানীয় বিভিন্ন প্বাশের , উপজেলা থেকে আগত বকে যাওয়া তরুণদের কারণে ছাত্রী ও অভিভাবকেরা অসহায় হয়ে পড়েছে। নানা চুতায় তারা বিভিন্ন দেওয়াল লিখন বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পাড়া মহল্লার রাস্তার মোড় গুলোতে জটলা বেঁধে ছাত্রীদেরকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। স্থানীয় প্রশাসন কাদের কারণে তাদেরকে আইনের আওতায় আনছে না এই নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। গত কিছুদিন আগে একাডেমি অঞ্চলে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাং কতিপয় সদস্য একজনকে মারধর করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর আগে কিছু দুষ্কৃতিকারী একাডেমি অঞ্চলে বিএনপির নেতা ভিপি জাহিদকে আঘাত করে পালিয়ে যায় এখন পর্যন্ত কারা এর সাথে জড়িত প্রশাসন চিহ্নিত করতে পারেনি। এটি নাগরিকদের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গত কিছুদিন আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেশ তোড়জোড় করে কিশোর গ্যাং নির্মূলের চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকদের কে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে অনেক জনকে আটকও করেছিলেন। হঠাৎ করে এই অভিযান কেন থমকে গেল এটি জনমনে প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। ফেনীর আইনশৃঙ্খলা পূর্ণোদ্বারে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করবে বলে আশা করে অসহায় ফেনীর ভুক্তভোগী জনগন। এই নগরীর বেহাল দশা কোনভাবেই কাম্য নয়। কোন রাজনৈতিক ছত্রছায়া যেন এ কিশোর গ্যাং ছাড় না পায় বিষয়টি দেখার জন্য জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডিসি জনাব সাইফুল ইসলাম তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে, ফেনী পৌরবাসী আশা করে।ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের পশ্চিম পাশে আব্দুর রউফ সড়ক ও আবিদ মুন্সি সড়ক সহ স্কুলের আশেপাশের রাস্তা গুলো ইভটিজার ও কিশোর গ্যাং এর দখলে, দুপুর ১২ টায় স্কুল ছুটির পর তাদের আনাগোনা ও চলাফেরা বেড়ে যায়, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এডাতে স্কুল পরিচালনা কমিটি ও প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।একাডেমি, নাজিররোড, মিজানরোড়, সালাউদ্দিন মোড়, পুরাতন পুলিশ কোয়ার্টার, সহেদবপুর, আরমবাগ, এই সব স্থানে এদের দৌরাত্ম্য বেশী বলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছে।

