বাবা-মা’র কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন লালন সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন। আজ রাত ৮ টা ৪৫ মিনিটে কুষ্টিয়ার পৌর কবরস্থানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।এর আগে, সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আজ দুপুরে ফরিদা পারভীনের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কুষ্টিয়ায়। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। জীবনের শেষ দিনগুলোতে সপ্তাহে দুই দিন ডায়ালাইসিস নিতে হতো তাকে। শেষবারের মতো ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর আইসিইউতে নেওয়া হয় তাকে। অবস্থার আরও অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে অবশেষে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন এই শিল্পী।উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন। ১৯৬৮ সালে ১৪ বছর বয়সে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর গানে গানে তিনি কাটিয়েছেন ৫৫ বছর।খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ কিংবা ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’র মতো লালন সাঁইয়ের জনপ্রিয় গান তার কন্ঠে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। শ্রোতারা ভালোবাসে তাকে ‘লালনকন্যা’ উপাধি দিয়েছিলেন।

