আমার প্রেরণার উৎস: প্রকৌশলী শাহ আলম মজুমদার
আজ দীর্ঘ ২৭ বছর হলো আমার বাবা, ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম মজুমদার, আমাদের ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। সময় বদলেছে, কিন্তু তিনি আজও আমাদের প্রতিটি ক্ষণে, অনুভবে ও স্মৃতিতে জড়িয়ে আছেন। তাঁর রেখে যাওয়া জনহিতকর কাজগুলো আজও আমাকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে।
শিক্ষা বিস্তারে তিনি যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তার সুমিষ্ট ফসল আজ বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তরুণ প্রজন্ম এবং তাঁর পরম বন্ধু প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহকে সাথে নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ‘অগ্রণী সংসদ’। আর এই অগ্রণী সংসদের মাধ্যমেই একে একে গড়ে ওঠে ‘অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়’সহ ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।বাবার এই মহান কর্মযজ্ঞ ও নিঃস্বার্থ সমাজসেবা আমাকে সবসময় আলোড়িত করে। মাঝে মাঝে মনে হয়, বাবার সেই স্বপ্নগুলোকে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করার মতো যোগ্যতা হয়তো আমাদের হয়ে ওঠেনি। তাই আজ এই ক্ষণে বাবার কাছে শুধু একটিই আকুতি— “বাবা, আমাদের ক্ষমা করবেন।”তবে আমরা গর্বিত যে, তাঁর দেওয়া নৈতিক শিক্ষা, সততা ও নিষ্ঠাকে আমরা আজীবন আঁকড়ে ধরে রেখেছি; কোনো অনৈতিকতা আমাদের স্পর্শ করতে পারেনি।মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি— হে আল্লাহ, আপনি তাঁর সকল সৎ কর্মের উত্তম প্রতিদান দান করুন, তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।
বাবা দিবস আমার প্রেরণার উৎস প্রকৌশলী শাহ আলম মজুমদার
আপডেট:

