বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬

দাউদপোল থেকে লেমুয়া ব্রিজ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা পরিদর্শন, খনন ও উচ্ছেদের স্থায়িত্ব নিয়ে ফেনীবাসীর কৌতুহল

আপডেট:

বিশেষ প্রতিনিধি, ফেনী:ফেনী শহরের দীর্ঘদিনের অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থার অচলাবস্থা। শহরের পয়োনিষ্কাশনের প্রধান ধমনী হিসেবে পরিচিত ঐতিহাসিক খালটি পরিচ্ছন্ন ও সচল করতে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে নানা উদ্যোগ ও পরিদর্শন। তবে সাধারণ ফেনী পৌরবাসীর মনে এখন একটাই বড় প্রশ্ন—এসব পরিদর্শনের চূড়ান্ত বাস্তব ফলাফল কবে দৃশ্যমান হবে?সম্প্রতি ফেনী জেলা প্রশাসন ও ফেনী পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে দাউদপোল থেকে লেমুয়া ব্রিজ পর্যন্ত অবৈধ দখল উচ্ছেদ, খাল পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধারের চলমান কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে।​উক্ত যৌথ পরিদর্শন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন ফেনী জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ডিডিএলজি), উপসচিব এবং ফেনী পৌরসভার প্রশাসক জনাব দিদারুল আলম।পরিদর্শনকালে খালটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ দখলমুক্ত করা, গতিপথ সুগম করা এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।​এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের একটি বিশাল বহর উপস্থিত ছিল। পরিদর্শন দলে ছিলেন। ফেনী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি)। ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি (LGED)-র নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী।ফেনী পৌরসভা, সদর উপজেলা ও জেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারবৃন্দ।ফেনী পৌরসভার বাসিন্দারা জানান, জেলা প্রশাসক এবং পৌরসভার প্রশাসকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা বহুবার এই খালের সীমানা পরিদর্শন করেছেন। তবে কেবল পরিদর্শন ও সীমানা নির্ধারণের মধ্যেই যেন এই উদ্যোগ থমকে না যায়। অবৈধ দখলদারদের কঠোর হাতে উচ্ছেদ করে খালটিকে পুরোপুরি খনন ও সচল করা গেলে ফেনী পৌরসভা এক স্থায়ী জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ পৌরবাসীর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত