অভিবাসীদের নিয়ে নতুন যে আইনটি রয়েছে তা আগামী জুনে কার্যকর হবে। অভিবাসীদের চাপ নিতে হয় ইতালী, গ্রীস, সাইপ্রাস, স্পেন তা থেকে উত্তরণে ইউনিয়নে ইউরোপা পথ খুজছে। এই অভিবাসীদের সকলে ভাগ করে নিতে হবে তা না হলে আর্থিক সহয়তা করতে হবে। ২০২৬ সালের জুন মাস থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউ নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে, যা সব সদস্য দেশের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক’নিরাপদ’ দেশ থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন তিন মাসের মধ্যে একটি দ্রুত পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।ইতালি, স্পেন, গ্রিসের মতো দেশগুলোকে সহায়তার জন্য অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে সংহতি প্রকাশ করতে হবে—হয় আশ্রয়প্রার্থী স্থানান্তর করতে হবে, নয়তো আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। যাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে, তাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হবে। নতুন নিয়মে, কোনো আশ্রয়প্রার্থী যদি একটি ‘নিরাপদ’ তৃতীয় দেশের মধ্য দিয়ে শুধু ট্রানজিটও করে থাকেন, তবে সেই আশ্রয়প্রার্থীর আবেদন প্রত্যাখ্যান করা সহজ হবে। প্রথম আশ্রয় দেওয়া দেশগুলো (যেমন ইতালি) যদি সঠিকভাবে অভিবাসীদের নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়, তবে অন্য দেশগুলো সংহতি প্রকাশ করতে বা সহায়তা করতে অস্বীকার করার সুযোগ পাবে। এই চুক্তির অধীনে তৃতীয় কোনো দেশে (যেমন আলবেনিয়া) প্রত্যাবাসন কেন্দ্র তৈরির ধারণাটিকে আনুষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই নতুন কঠোর নিয়মাবলী কি ইউরোপের অভিবাসন সংকট সমাধানে সফল হবে, নাকি এটি মানবাধিকারকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে?
তথ্যসুত্র
AsylumPolicy,MigrationEU,FutureOfEurope
২০২৬ সালের জুন মাস থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
আপডেট:

