আন্তর্জাতিক ডেস্ক:বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় উড়ল ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকাবাহী একটি ঘুড়ি। ইতালির বিখ্যাত পর্বতারোহী লিওনার্দো এভেজ্জানো এই অনন্য ও গৌরবময় কীর্তি স্থাপন করেছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার কোমলমতি শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন এবং তাদের আকুল আকুতি বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়।মাউন্ট এভারেস্ট জয় করার পর লিওনার্দো এভেজ্জানোর প্রথম কাজই ছিল ফিলিস্তিনের পতাকাবাহী সেই বিশেষ ঘুড়িটি ওড়ানো। পতাকাটিতে গাজা উপত্যকায় বসবাসরত ও যুদ্ধ পরিস্থিতির শিকার শিশুদের হাতে লেখা নানা স্বপ্ন, আশা এবং আকুতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। এভেজ্জানো তাঁর এই ঐতিহাসিক ও গৌরবময় বিজয়কে গাজার সেইসব নিষ্পাপ শিশুদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেন।এই ঐতিহাসিক ও চ্যালেঞ্জিং পর্বতারোহণ অভিযানের সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন জর্ডান বংশোদ্ভূত ফিলিস্তিনি পর্বতারোহী মোস্তফা সালামেহ। অভিযানের একপর্যায়ে তীব্র শারীরিক অসুস্থতা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সালামেহ নিজে এভারেস্টের মূল চূড়ায় পৌঁছাতে পারেননি। তবে তাঁর হয়ে এই মহৎ মিশনটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন সহযাত্রী লিওনার্দো এভেজ্জানো।
”পৃথিবীর ছাদ হিসেবে খ্যাত এভারেস্টের চূড়াই হলো ফিলিস্তিনি শিশুদের কঠিন বাস্তবতার বিরুদ্ধে তাদের কণ্ঠস্বর বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে সেরা মাধ্যম।”
— মোস্তফা সালামেহ।কঠিন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েও এভারেস্টের চূড়ায় ফিলিস্তিনি শিশুদের মানবিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। একে কেবল একটি সফল পর্বত জয় হিসেবেই নয়, বরং নিপীড়িত শিশুদের অধিকার ও শান্তির পক্ষে একটি জোরালো মানবিক বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্ববাসী।
এভারেস্টের চূড়ায় উড়ল ফিলিস্তিনের পতাকাবাহী ঘুড়ি: গাজার শিশুদের স্বপ্ন উৎসর্গ করে ঐতিহাসিক আরোহণ
আপডেট:

