শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

কৃষিখাদ্য খাতে আমদানি-রফতানির হার কিছুটা কমলেও সামগ্রিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে ইইউ

আপডেট:

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কৃষিখাদ্য খাতে আমদানি-রফতানির হার কিছুটা কমলেও সামগ্রিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে।এপ্রিলে প্রকাশিত ইইউর কৃষিখাদ্য বাণিজ্য প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। খবর ওয়ার্ল্ড-গ্রেইন ডটকম।প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জানুয়ারিতে ইইউর এ খাতে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭০ কোটি ডলার (৩২০ কোটি ইউরো)। মূলত কোকো বা চকোলেট তৈরির উপকরণসহ বেশকিছু পণ্যের দাম বিশ্ববাজারে কমে যাওয়া সামগ্রিক আর্থিক হিসাবে প্রভাব ফেলেছে।২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইইউ মোট ১ হাজার ৭৫০ কোটি ইউরোর পণ্য রফতানি করেছে। এটি আগের মাসের তুলনায় ৯ শতাংশ এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ শতাংশ কম। প্রধান পণ্যের রফতানি মূল্য ও পরিমাণ উভয়ই কমে যাওয়ায় এ নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেও শস্য বা দানাদার খাদ্যের রফতানি ৬ শতাংশ বা ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো বেড়েছে। এছাড়া আপেল ও নাশপাতির চাহিদা বাড়ায় ফল ও বাদাম রফতানি ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১০ লাখ ইউরোয়।অন্যদিকে সেরিয়াল বা শস্যজাত অন্যান্য খাদ্যপণ্যের রফতানি ৭ শতাংশ বা প্রায় ১৪ কোটি ৬০ লাখ ইউরো কমেছে। ইইউর কৃষিখাদ্য পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হলো যুক্তরাজ্য। কিন্তু জানুয়ারিতে দেশটিতে রফতানি ৭ শতাংশ কমেছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমেছে প্রায় ২৫ শতাংশ। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি কার্যকর হওয়ার আগেই ব্যবসায়ীরা আগাম পণ্য মজুদ করায় পরবর্তী সময়ে আমদানির চাহিদা কমে গেছে।আমদানির ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। জানুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ১ হাজার ৪৪০ কোটি ইউরোর কৃষি ও খাদ্যপণ্য আমদানি করেছে। এটি গত বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ কম। বিশেষ করে সয়াবিন আমদানির পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমে যাওয়ায় তেলবীজ ও প্রোটিনজাতীয় শস্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গমের আমদানি ৬৯ শতাংশ এবং ভুট্টার আমদানি ৮ শতাংশ কমে যাওয়ায় খাদ্যশস্যের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত