শনিবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২৫

শর্শদিতে ৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবী ও ককটেল বিস্ফোরণ

আপডেট:

জেলা প্রতিনিধি : নুর উল্ল্যা
গত সরকারের আমলে জমির উপরে অংশের মাটি ইটভাটায় সরবরাহ করে বিপুল বিত্তশালী হয়ে উঠে তার প্বাশে মাটি যুক্ত হয়ে তার নাম পরিবর্তন হয়ে মাটি কামল নাম দিয়ে দেয় স্থানীয় জনগন। কিছুদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর আবারো মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে মাটি কামাল। ফেনী সদর উপজেলার শর্শদি ইউনিয়নের উত্তর ফতেহপুর এলাকায় ৭ শতক জায়গার বিরোধ নিয়ে চাঁদাদাবী, বোমা হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, আনোয়ারা বেগম, নারগিস সুতানা ও রাশেদা বেগম আহত হন। এ বিষয়ে সোমবার ফেনী মডেল থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবারের খুরশিদ আলম ও আকবর হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয় কামরুজ্জামান থেকে আমরা ৭ শতক জায়গা ক্রয় করি। জায়গায় ঘর নির্মাণ শুরু করলে মাটি কামাল আমাদেরকে ঘর করতে বাদা দেয়। তারপর আমরা সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে বিষয়টি অবগত করি। তারা সমঝোতা করে দিলে ২০ দিন পর পুনরায় কাজ শুরু করি। পরবর্তী কামাল আমাদের নামে অহেতুক ফৌজদারী কার্যবিধিতে মামলা দায়ের করে। মামালয় আমরা রায় পেয়েছি। সে কোন কিছু না পেয়ে আমাদের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না পোয়ে সোমবার সন্ধ্যায় আমাদের বাড়ির সামনে ব্যপক বোমা বিস্ফোরণ ও পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। এতে আহত হয় আনোয়ারা বেগম, নারগিস সুতানা ও রাশেদা বেগম আহত হন। এ মর্মে ফেনী মডেল থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে আনোয়ারা বেগম একটি স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে উল্লেখ করেন।অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, একই এলাকার আবদুল কুদ্দুছের ছেলে কামাল হোসেন(৪৫) ও নুর করিম(৩৫)সহ আরও অজ্ঞাত ৮/১০ জন। অভিযুক্তদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান ভুক্তভোগীরা।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটির তদন্ত চলছে বলে জানান।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:

সর্বাধিক পঠিত