সাইফুর নিশাদ
মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
মনোহরদীর খিদিরপুর ডিগ্রি কলেজের
শিক্ষক কীট পতঙ্গদের ঘর সংসার করেছেন।তাদের বসবাস খাবার- দাবার প্রজনন বংশবৃদ্ধি সব কিছুর ব্যবস্থা রয়েছে তাতে।এর মাধ্যমে দু’পয়সা আয় রোজগারের ব্যবস্থাও হয়েছে তার।
উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপনন বিষয়ের শিক্ষক আব্দুর রহমান আজ ২/৩ বছর ধরে কলেজ সংলগ্ন নিজ বাড়ীর দুটি বসত ঘরকে কীট পতঙ্গের বসত ঘর বানিয়েছেন।তিনি এতে লার্ভা বা ছোট কীট উৎপাদন করছেন। এগুলো এক থেকে তিনশ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় তার।
আর এ মাছি পোকা বা পিউপা বড়ো হয়ে প্রজনন উপযোগী হলে প্রতি কেজি মাছি পোকা ৭/৮ শ’ টাকায় বিক্রি করা যায়।এ সব পোল্ট্রি ও ফিশারিজে উন্নত প্রোটিন সমৃদ্ধ ফিড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।তার মতে, বাজারের প্রচলিত পোল্ট্রি ও ফিশারিজ ফিডের চেয়ে এ ফিড দ্বিগুন পুষ্টিমান সমৃদ্ধ।
দেশের বিভিন্ন পোল্ট্রি ও মৎস্য খামার অনলাইনে এগুলো তার কাছ থেকে কিনে নিয়ে থাকেন।তার মতে, বিভিন্ন মৎস্য ও পোল্ট্রি খামারে এর ব্যাপক চাহীদা রয়েছে।দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তার কাছে পেরেন্টস পোকা বা পিউপা ও তার লার্ভার অর্ডার আসে।নানা কারনে তাদের সব চাহীদা পূরন করতে এ মুহুর্তে সক্ষম হচ্ছেন না তিনি।তিনি আরো জানান,এর বানিজ্যিক চাষ লাভজনক।সেইসাথে পোল্ট্রি এবং ফিশারিজ ফিড হিসেবে এটি সম্পূর্ণ নিরাপদও বটে।


